সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ও অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) নামের একটি সংগঠনের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সাদা দলের কয়েকজন সদস্য সংগঠনের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য প্রদান করেন। এ ঘটনায় সাদা দলের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক কেন রহিত করা হবে না—সে মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা এর কোনো জবাব দেননি।
এছাড়া এ বিষয়ে গঠিত একটি বিশেষ কমিটি তাদের মৌখিক বক্তব্য উপস্থাপনের আহ্বান জানালেও তারা কোনো সাড়া দেননি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
নেতারা আরও জানান, রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংগঠনের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। কিন্তু এর পরদিন সোমবার ইউটিএল আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য দেওয়া হয়, যেখানে উল্লেখিত কয়েকজন শিক্ষক ছাড়াও সাদা দলের আরও কিছু শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এতে করে তারা সাদা দলের সিদ্ধান্তের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করেছেন এবং এমন একটি সংগঠনের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করেছেন, যার সঙ্গে সাদা দলের কোনো সম্পর্ক নেই।
এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার অনুষ্ঠিত সাদা দলের এক্সিকিউটিভ কমিটির সভায় দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাত শিক্ষকের সঙ্গে সাদা দলের সব ধরনের সম্পৃক্ততা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যেসব শিক্ষকের সঙ্গে সম্পৃক্ততা না রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তারা হলেন—
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউসুফ ইবন হোছাইন, বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সায়েম, আরবী বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মো. ওমর ফারুক, আরবী বিভাগের অধ্যাপক ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক, ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এইচ এম মোশাররফ হোসেন এবং দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. আ খ ম ইউনুস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উল্লেখিত শিক্ষকরা ভবিষ্যতে সাদা দলের কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
মন্তব্য করুন