বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরীর কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় নুরুল হক নুর এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, “একজন প্রার্থী হিসেবে এ ধরনের চরিত্রহনন ও মানহানিকর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। জেলা প্রশাসন যেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, “বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমে তার মিত্রদের আশ্বস্ত করেছে যে, নির্বাচনে জয়লাভ করলে বা না করলে তাদের সরকারে রাখা হবে। আমাদের এই উদ্যোগের প্রতিফলনেই আমরা বিএনপির সঙ্গে অ্যালায়েন্স করে নির্বাচন করছি।”
ভবিষ্যৎ জোট রাজনীতি নিয়ে তিনি বলেন, “এ ধরনের ঘটনায় ভবিষ্যতে বিএনপির প্রতি মিত্রদের অনাস্থা তৈরি হতে পারে এবং জোট গঠনের ক্ষেত্রে সংকট দেখা দিতে পারে।”
পটুয়াখালী-৩ আসনের রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে নুরুল হক নুর বলেন, “এ আসন মূলত আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত। বিগত ৫০ বছরেও বিএনপি এখানে জয় পায়নি। ৫ আগস্টের পরও যেন কেউ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, চাঁদাবাজি বা হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে আমি সবসময় সোচ্চার ছিলাম। আশা করি, আসনের মানুষ ট্রাক প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাদের সংসদে পাঠাবে।”
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, “এ পর্যন্ত নির্বাচনি পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।”
মন্তব্য করুন