প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী। জবাবে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম রয়্যালস গুটিয়ে যায় মাত্র ১১১ রানে। এর আগেও ২০১৯–২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস নামে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চারবার শিরোপা জিতেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, তিনবার ঢাকা এবং রাজশাহীর মতো দুবার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বরিশাল। একবার শিরোপা জিতেছে রংপুর রাইডার্স।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান রাজশাহীকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান। ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত সূচনা পায় রাজশাহী। তানজিদ হাসান তামিমের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ও সাহিবজাদা ফারহানের ধৈর্যশীল ইনিংসে ওপেনিং জুটিতে আসে ৮৩ রান। ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন।
দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদের সঙ্গে ৪৭ রানের জুটি গড়েন কেন উইলিয়ামসন। শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে উইলিয়ামসন করেন ১৫ বলে ২৪ রান। এরপর পুরো ইনিংস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন তানজিদ হাসান তামিম। ফিফটির পর তুলে নেন দারুণ এক সেঞ্চুরি। এটি ছিল চলতি বিপিএলের চতুর্থ সেঞ্চুরি এবং ফাইনালে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে শতকের কীর্তি গড়েন তিনি। এর আগে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।
শেষ পর্যন্ত তানজিদের ইনিংস থামে ১০০ রানে। ৬২ বলে খেলা এই ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও সাতটি ছয়। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ১১ রান, আর জিমি নিশাম অপরাজিত থাকেন ৭ রানে। চট্টগ্রামের পক্ষে শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ১৮ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার ফিরেন সাজঘরে। মোহাম্মদ নাঈম শেখ করেন ৯ রান, আর মাহমুদুল হাসান জয় কোনো রান না করেই আউট হন। হাসান নেওয়াজ ৭ বলে ১১ রান করলেও চাপ সামলাতে পারেননি।
মাঝে উইকেটরক্ষক জাহিদুজ্জামান ও মির্জা বেগ কিছুক্ষণ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে ধীরগতির ব্যাটিংয়ে ম্যাচ দ্রুতই চট্টগ্রামের নাগালের বাইরে চলে যায়। জাহিদুজ্জামান ১৩ বলে ১১ রান করেন, আর মির্জা বেগ আউট হন ৩৬ বলে ৩৯ রান করে। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে হেরে যায় চট্টগ্রাম রয়্যালস।
মন্তব্য করুন