শান্ত বলেন, গত দেড় বছর তার জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল এবং এর জন্য কাউকে দায়ী না করে নিজেকেই দায়ী করেছেন তিনি। তার ভাষায়, পারফরম্যান্স ভালো হলে সময়টা এতটা কঠিন হতো না। কোথায় ভুল ছিল, কী ঘাটতি ছিল—সেসব নিয়ে তিনি কাজ করেছেন। নিজের ওপর বিশ্বাস রেখেই অনুশীলন চালিয়ে গেছেন এবং এই বিপিএলে যেভাবে দলকে প্রভাবিত করতে চেয়েছিলেন, অনেক ম্যাচেই সেটি করতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।
অধিনায়ক হিসেবে প্রথম বিপিএলেই শিরোপা জয়ের অনুভূতি যে বিশেষ, সেটিও লুকাননি শান্ত। তিনি বলেন, চ্যাম্পিয়ন হওয়া সবসময়ই ভালো লাগার, তবে দলে অবদান রেখে শিরোপা জিততে পারলে আনন্দটা আরও বেড়ে যায়। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম আসরেই ট্রফি জেতাটা তার কাছে বাড়তি বিশেষ মুহূর্ত।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের সঙ্গে এবারের বিপিএল যাত্রা নিয়েও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন শান্ত। শুরু থেকেই পরিকল্পনা স্পষ্ট ছিল বলে জানান তিনি। কোচিং স্টাফ, ভালো নিলাম এবং সিনিয়র-জুনিয়রের সমন্বয়ে দল গঠন—সবকিছু মিলেই মাঠে ভালো পারফরম্যান্স এসেছে। তার মতে, দল যেমনই গড়া হোক, মাঠে সবাই নিজেদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করায় এই সাফল্য এসেছে।
রাজশাহীর ছেলে হয়েও এবারই প্রথম বিপিএলে রাজশাহীর হয়ে খেলতে পারার অনুভূতিকে ভীষণ আবেগের বলে উল্লেখ করেন শান্ত। অধিনায়ক হিসেবে দলকে শিরোপা এনে দিতে পারাটা তার কাছে বাড়তি দায়িত্ব ও আনন্দের। রাজশাহীর মানুষদের জন্য কাপ জিততে পারায় তিনি গর্বিত এবং পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ম্যানেজমেন্ট ও দলের সবার সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন শান্ত।
মন্তব্য করুন