প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গণনায় কিছুটা দেরি হতে পারে। এ বছর সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি একটি রেফারেন্ডাম ও পোস্টাল ব্যালট রয়েছে, যার কারণে গণনায় সময় লাগতে পারে। তাই এ বিষয়ে গুজব না ছড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষকে আগেভাগেই জানানো হচ্ছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।
শফিকুল আলম জানান, নির্বাচনের সময় তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে চারটি মোবাইল ফোন কোম্পানিকে উন্নত ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোট কেন্দ্রগুলোতে পুলিশের কাছে মোট ২৫ হাজার ৫০০ ‘বডি অন ক্যামেরা’ থাকবে, যার ফুটেজ সুরক্ষা অ্যাপে যুক্ত করা হবে। এতে তাত্ক্ষণিকভাবে কুইক রেসপন্স নিশ্চিত হবে।
এছাড়া ভোটের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন। লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতেও তিনি তাগিদ দিয়েছেন।
প্রেস সচিব বলেন, “নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে। এতে নির্বাচনের নিরাপত্তা ও সমন্বয় ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়েছে। ভোটের সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে কাজ করবেন। ১ লাখ সেনা সদস্য, নৌবাহিনীর ৫ হাজার ও বিমান বাহিনীর ৩,৫০০ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও ৫০০ ড্রোনও মোতায়েন থাকবে। পাবনা-১ ও ২ আসন নিয়ে শঙ্কা থাকলেও, ৩০০ আসনে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।”
তিনি আরও বলেন, এবার নির্বাচনে অংশ নেবেন ১,৮৪২ জন বৈধ প্রার্থী। দায়িত্বে থাকবেন ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১,০৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। জেলা প্রশাসক জেলার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা আইনের দায়িত্বে থাকবেন।
মন্তব্য করুন